দুই হাজার বারো সাল হতে এ টুর্নামেন্ট হয়ে আসছে, যদিও নিয়মিত নয়, মাঝেমধ্যেই পড়েছে বিরতি।
ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোও অনিয়মিত, মালিকানায় বদলানো এসেছে বেশ কয়েকবার।এমনকি কোনও ক্রিকেটারও দীর্ঘদিন সেইম দলের
তবুও এটিই বাংলাদেশের শুধুমাত্র টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট যেখানে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জন্য ক্রিকেটার যাচাই করা যায়, গৃহসম্বন্ধীয় ক্রিকেটাররা কয়েকটি অর্থ উপার্জন করার জন্য পারেন এবং বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকরা মাঠে বসে কতিপয় বিদেশি ক্রিকেটারদের খেলা-ধুলা উপভোগ করতে পারেন।
আরো পড়তে পারেন
ক্রিকেট বিনোদনের খোরাক মেটাতে ব্যর্থ বিপিএল?
১৫ জানুয়ারি ২০১৯
বিপিএলের সর্বসেরা কে? ব্যর্থ সাব্বির এবং অন্যান্য
১৬ জানুয়ারি ২০২০
চট্টগ্রামের দলে গতবারের বিবাদের ছাপ স্পষ্ট
বাংলাদেশ প্রেমিয়ার লীগে এখনও চট্টগ্রাম কোনও বার শিরোপা জেতেনি কিন্তু প্রতিবারই আশাব্যঞ্জক দল নিয়ে মাঠে নামে।
চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স গতবারও প্রার্থনা দেখিয়েছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত শক্তির প্রদর্শনী দেখাতে পারেনি।
বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলা নাসুম আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের সাথে প্রকাশ্য বিবাদে জড়িয়েছিল ফ্র্যাঞ্চাইজি। এই বিবাদের ছাপ এবারের দলে স্পষ্ট।
দেশি বা বিদেশী কোনও স্টার ক্রিকেটার নেই চট্টগ্রাম দলে।
আপাতত বাংলাদেশ জাতীয় টিমের তরুণ ক্রিকেটার আফিফ হোসেনকেই মানা হচ্ছে দলের সর্বাপেক্ষা সুবিশাল নাম।
এছাড়া রয়েছেন বিচক্ষণ ক্রিকেটার শুভাগত হোম, তিনি এই যাত্রায় অধিনায়কত্ব করবেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের।
ইরফান শুক্কুর, মেহেদী মারুফের মতো গৃহসম্বন্ধীয় ক্রিকেটে অবগত নাম আছেন।
তবে এ দলটাকে ইতিবাচক ফল এনে দেওয়ার জন্য পারেন আয়ারল্যান্ডের কার্টিস ক্যামফার, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে উনি ঝড়ো ইনিংস খেলে নিজের সামর্থ্যের প্রুফ দিয়েছিলেন।
পাকিস্তানের দ্রুত বোলার শাহনেওয়াজ দাহানিকে পেলে দলটির বোলিংও খানিকটা শক্তি পাবে। ঘূর্ণন অবলম্বন কন্ডিশনের জন্য আছেন তাইজুল ইসলাম, যিনি বাংলাদেশের টেস্ট টিমের তাৎপর্যপূর্ণ একজন সদস্য।
এছাড়া রয়েছেন মেহেদী হাসান রানা, এ বা-হাতি ফাস্ট বোলার গত মৌসুমে ১৮ উইকেট নিয়েছিলেন।
সিলেট স্ট্রাইকার্সে আছেন মাশরাফী আর মুশফিক
সিলেট এবারে স্ট্রাইকার্স নাম নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ প্রেমিয়ার লিগে।
এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসেই সবচেয়ে ব্যর্থ টিম জানানো যায় সিলেটকে।
এই ব্যর্থ দলে এসেছেন এবার বিপিএলের সফলতম অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।
তবে তিনি সর্বশেষ কোনও পেশাদার ক্রিকেট খেলেছেন গত বর্ষের এপ্রিল মাসে।
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মেম্বার মাশরাফী এবং ইন্টারন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে ছুটি নেয়া মুশফিক সিলেটের সুবিশাল নাম।
মুশফিকুর রহিম আর সিলেটের একটা মিল রয়েছে, লোক হিসেবে মুশফিক ও টিম হিসেবে সিলেট এখনও বাংলাদেশ প্রেমিয়ার লিগ শিরোপা জেতেনি।
সিলেট স্ট্রাইকার্সের কোচ রাজিন সালেহ, সিলেটেরই ক্রিকেটার, বাংলাদেশ জাতীয় টিমের হয়ে খেলেছেন দীর্ঘদিন।
সিলেট স্ট্রাইকার্সের আসল শক্তি দুই পাকিস্তানি ক্রিকেটার মোহাম্মদ হারিস এবং মোহাম্মদ আমির।
যাদের পুরোটা টাইম পাবে না দলটি।
গত বারের বরিশালের মতো করে, সিলেট এবারে অলরাউন্ডার রেখেছে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটারের ডিমান্ড পূর্ণ করতে।
ইমাদ ওয়াসিম আছেন, রয়েছেন থিসারা পেরেরা, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা ও জিম্বাবুয়ের রায়ান বার্ল।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নজরকাড়া কলিন অ্যাকারম্যান রয়েছেন এই দলে।


0 মন্তব্যসমূহ