তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে মৃত্যুর পরিমান ৬ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে।





  1.  তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে মৃত্যুর পরিমান ৬ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে। এর ভিতরে তুরস্কে মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ৫৪৪ জনের। আর সিরিয়ায় মারা গেছে ১ হাজার ৮৩২ জন। হতাহতের সংখ্যা এইরকম পর্যাপ্ত বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খোজ-খবর আল–জাজিরা এবং বিবিসির। 
  2. তুরস্কের দুর্যোগ এবং জরুরি পরিস্থিতি ব্যবস্থাপনা (এএফএডি) জানিয়েছে, দেশটিতে মৃত্যুর পরিমান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫৪৪ জনে। বিপরীতে সিরিয়ায় মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে ১ হাজার ২০ জন বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোর বাসিন্দা বলা হয়ে থাকে জানিয়েছে উদ্ধারকারী দল হোয়াইট হেলমেটস। আর সরকার নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোয় ৮১২ জন মারা গেছে বলা হয় জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা এজেন্সি সানা। 

  3. জীবিত কেউ উদ্ধার হলেই ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি 
  4. তুরস্কের হাতায়ে শহরে ধ্বংসস্তূপের সাইডে স্বজনকে জড়িয়ে এক মহিলার কান্না 


  5. সোমবার ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে তুরস্ক ও সিরিয়া সীমান্তবর্তী এরিয়ায় আঘাত হানে ভূমিকম্পটি। এর পর থেকে দফায় দফায় এইরকম কতিপয় ভূমিকম্প হয়েছে। এতে দুই কান্ট্রিতে ধসে পড়েছে হাজার হাজার ভবন। এসব ভবনের তলে আটকা পড়েছে বেশি মানুষ। তাদের উদ্ধারে ট্রাই করে যাচ্ছেন উদ্ধারকারী এবং কমন মানুষ। কিন্তু উদ্ধারকাজে বিশাল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রখর ঠান্ডা, তুষারপাত এবং বৃষ্টি। 

  6. রও পড়ুন 
  7. ভয়াবহ ভূমিকম্পে ধসে পড়া ভবনের নিচ হতে উদ্ধার করা হয়ে গিয়েছে এক ফুটফুটে নবজাতককে। 

  • ভূমিকম্পে ভাঙল তুরস্কের ইতিহাস সম্পর্কিত মসজিদ 
  • সোমবার ক্ষত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত তুরস্কের ঐতিহাসিক হাজি ইউসেফ মসজিদ 

  • মঙ্গলবারও তুরস্কের মধ্যাঞ্চলে নতুন অন্যটি ভূমিকম্প চোট হেনেছে। কিন্তু এতে ক্ষয়ক্ষতি সম্মন্ধে জানা যায়নি। দেশটির এ দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ১০টি শহরে তিন মাসের গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতি ঘোষণা করেছেন। আর জগৎ দেহ কোম্পানী (ডব্লিউএইচও) বলছে, ওই ভূমিকম্পে দুই কান্ট্রিতে ২০ হাজারের বহু মানুষের মৃত্যু থেকে পারে।
  • ভূমিকম্পে ভবনটি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে ও সৃষ্টি হয়ে গিয়েছে বৃহৎ এক ধ্বংসস্তূপ। 
  • রাস্তার দুই সাইডের কিছু আলয় এখনও দাঁড়িয়ে আছে, অথচ পুলিশ আমাকে জানিয়েছে যে কাছের আরেকটি বিল্ডিং নিয়ে তারা শঙ্কিত। 
  • কারণ সেটি যেকোনো সময়ে ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। 

ঐ বিল্ডিংয়ের সব বাসিন্দাদের তারা রাস্তার অন্য পাশে সরিয়ে নিয়ে গেছে, ও পুলিশের নীল ও শ্বেত টেপ দ্বারা তারা ভবনটি ঘিরে রেখেছে। 
ধসে পড়া বিল্ডিংগুলো দেখতে এবং সম্ভবত ফ্রেন্ড ও প্রিয়জনের খোজ-খবর নিতে লোকজন আশেপাশে জড়ো হয়েছেন। 
আবার অধিকাংশই চুপচাপ দাঁড়িয়ে এ উদ্ধার অভিযান দেখছেন।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ