মাত্র ২০ বছর বয়সী এ অভিনেত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়ে যায় তাঁর লাস ভেগাসের থাকার জায়গা থেকে।
অলিভিয়ার মৃত্যুর এক বছর আগেই আত্মহত্যা করেছিলেন তাঁর প্রেমিক। এরপরই অলিভিয়া নোভার জীবন হয়ে যায় এলোমেলো। বেপরোয়া জীবন নিয়ে নাম লেখান পর্নো ফটোর দুনিয়ায়।
আরোও পড়ুন
রাশমিকা মানদানা ট্রলের শিকার হচ্ছেন।
পুলিশ যখন তাঁর লাশ উদ্ধার করে, তখন অলিভিয়ার দেহের নিচের অংশ ছিল অনাবৃত। লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ জানায়, যে অবস্থায় তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, তাতে অভিনেত্রীর মৃত্যু তাদের কাছে স্বাভাবিক মনে হয়নি। পুলিশ আসার ১২ ঘণ্টা আগেই অভিনেত্রী মারা গিয়েছিলেন। অলিভিয়ার বন্ধুবান্ধব বলেছিলেন, এক বছর আগে প্রেমিকের আত্মহত্যা, আরও এক বছর আগে এক ফ্রেন্ডের আত্মহত্যায় নোভা অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন।
প্রেমিকের মৃত্যুর পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন অলিভিয়া। হতে নাম লেখান পর্নোগ্রাফিতে। যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে বাসা নিয়ে থাকতেন। মাদক নিতেও শুরু করেন। এর পর হতে তাঁর শরীরের পতন থেকে থাকে। কিডনিতে সমস্যা লক্ষ্য দেয়। এমনকি মূত্রনালিতেও সংক্রমণ লক্ষ্য দেয়। চিকিৎসকেরা ওনাকে জীবনযাপনে বদলানো আনার পরামর্শও দেন। সেই সময় অলিভিয়া বুঝতে পারেন তাঁকে বেঁচে থাকতে হলে পরিবর্তন থেকে হবে।
ভালোবাসার মানুষ এবং কাছের মানুষের জন্য তিনি বাঁচতে চেয়েছিলেন। এই জন্য নিজেকে পরিবর্তন করার জন্য আরম্ভ করেছিলেন। তা সত্ত্বেও ২০১৮ বছরের ৭ জানুয়ারি উনি মারা যান। শুরুতে আশ্চর্য মরণ বললেও ময়নাতদন্তের পর পুলিশ জানায়, তার মরণ স্বাভাবিক। মূত্রনালিতে সংক্রমণের কারণেই তাঁর মরণ হয়েছে। তা সত্ত্বেও তাঁর পরিবার আর বন্ধুবান্ধব বলছেন তাঁর মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। পর্নো ছবির দুনিয়া থেকে ফিরে আসতে চাওয়াই কি তাঁর মৃত্যুর রিজন হলো? এখনো এটা রহস্য হয়ে রয়েছে।
0 মন্তব্যসমূহ