বাংলাদেশের পাবলিক ইউনির্ভাসিটির মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থান সবসময় উপরের সারিতে থাকে।এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতি বছর অনেক ছাএ ভর্তি পরীঙ্কায় অংশ গ্রহন করে।যাদের মেদা এবং রেজাল্ট ভালো তারাই ভর্তি হতে পারে।
এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশুনা করে অনেকেই সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি করছে উচ্চ প্রদচ্চত কর্মকর্তা হিসেবে।
২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে সাজেদ নামে একজন ভর্তি
পরীঙ্কায় অংশগ্রহন করে।কিন্তু সে উত্তীর্ণ হতে পারে নাই।তার আশা ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করবে।যখন সে চান্স পেলো না তো কৌশল অবলম্বন করে।তার পাশে বসে ভর্তি পরীক্ষা দেয় সাকিব নামে এক ছাএ। সাকিব ভর্তি হওয়ার জন্য চান্স পায়।পরবতীতে সাকিব কানাডায় চলে য়ায় এমবিবিএস করতে।
সাজেদ এই সুযোগ টা কাজে লাগায়।সাজেদ সাকিব এর পরিচয় বহন করে নিয়মিত ক্লাস করেত থাকে।সাকিব রাষ্ট্রবিঙ্গানে চান্স পায় তো সাজেদ সেখানেই ক্লাস করে।
কিন্তু মজার কাহিনীটা হলো সাকিব ভর্তি বাতিল করেনি।তাই সাজেদ সাকিবের জায়গায় সুযোগ নেয়।সাজেদ বন্দুদের সাথে নিয়মিত ক্লাস করছে এযবল মাসিক এবং ক্লাস টেস্টে অংশগ্রহন করছে।সাজেদ সূর্যসেনের ক্যাফেটেরিয়ায় বন্দুদের সাথে আড্ডা দেয়।
সাজেদ এর কৌশলের একটা সমস্যা হয়।সমস্যাটা হলো ক্লাস টেস্ট দেয় কিন্তু ফাইনালে অংশগ্রহন করে না।তার বন্দুদের মনে তখন প্রশ্ন জাগে।এসব কারন জানতে চাইলে বলে কিছুদিন পর বিদেশ চলে যাবে তাই অংশ নেয় না।কারন ফাইনালে ছবি ও সাইন লাগে, যদি দরা পরে য়ায়।
এমন কি সাজেদের ক্লাস রোল এ সমস্যা দরা পরেনি।সাজেদ যদি হলে থাকতো তো আরো আগে দরা পরতো। যখন ফাইনাল হবে তখন তার কিছু বন্দুরা মিলে স্যারদের জানায়।পরবর্তীতে স্যাররা এ বিষয়টা খাটিয়ে দেখে সাজেদ ভোয়া পরিচয়ে ৩ বছর কাটিয়ে দিয়েছে।আর মাএ ১ বছর হলেই সে সার্টিফিকেট পেতো।শেষপর্যন্ত শেষ রক্খা হলো না সাজেদের কৌশল।
এ ঘটনার জন্য দায়ি হলো বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রসাশন বিভাগ।এখন সাজেদ পুলিশের হেফাজতে আছে।



0 মন্তব্যসমূহ